,
সংবাদ শিরোনাম :

কিংবদন্তী কবি স্যার শফিকুল ইসলামের জীবন ও সাহিত্যকর্ম

সাংবাদিক নিজাম ইসলাম :: উদভ্রান্ত যুগের শুদ্ধতম কবি শফিকুল ইসলাম। তারুণ্য ও দ্রোহের প্রতীক। তার কাব্যচর্চ্চার বিষয়বস্তু প্রেম ও দ্রোহ। কবিতা রচনার পাশাপাশি তিনি অনেক গান ও রচনা করেছেন। তার দেশাত্ববোধক ও সমাজ-সচেতন গানে বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে জাগিয়ে তোলার প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত গীতিকার।

 

শফিকুল ইসলামের জন্ম ১০ই ফেব্রুয়ারী, সিলেট জেলা শহরের শেখঘাটস্থ খুলিয়াপাড়ায়। একাত্তরের মু্ক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার কিছুদিন পূর্বে তার পরিবার সিলেট শহরের বাগবাড়ী এলাকায় বসবাস শুরু করেন। তার পিতার নাম মনতাজ আলী। তিনি পেশায় একজন কাষ্টমস অফিসার ছিলেন। তার মাতার নাম শামসুন নাহার। তিনি একজন গৃহিণী ছিলেন।

 

শফিকুল ইসলাম সিলেট জেলার এইডেড হাইস্কুল থেকে এসএসসি ও মদন মোহন মহাবিদ্যালয় থেকে এইচএসসি উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি ও সমাজকল্যাণে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। এছাড়া এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে এম,এ ইন ইসলামিক ষ্টাডিজ ডিগ্রী অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে শিক্ষাজীবনে অনন্য কৃতিত্বের জন্য স্বর্ণপদক প্রাপ্ত হন।

 

কর্মজীবনে একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা কবি শফিকুল ইসলাম চাকরীসূত্রে বিসিএস(প্রশাসন) ক্যাডারের একজন সদস্য। তার কর্মজীবনের শুরু কুষ্টিয়া ডিসি অফিসে সহকারী কমিশনার হিসেবে। তিনি ঢাকার প্রাক্তন মেট্রোপলিটান ম্যাজিষ্ট্রেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সাবেক এডিসি। এছাড়া ও তিনি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরে উপপরিচালক ছিলেন। তিনি স্বরাষ্ট্র্র মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব, অর্থমন্ত্রণালয়ের ইআরডিতে, কৃষি মন্ত্রণালয়ে ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে এবং বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে কর্মরত। তিনি সরকারী কাজে যে সব দেশ ভ্রমণ করেছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে বৃটেন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপাইনও সিঙ্গাপুর।

 

লেখালেখির শুরু ছাত্রজীবনে স্কুল ম্যাগাজিনে লেখালেখির প্রচেষ্টা থেকে। থেকে। সেটি ছিল ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ। তখন কবি ক্লাস সেভেনে পড়েন। কাব্যচর্চা দিয়ে লেখালেখি শুরু করেন। ১৯৮০সালে সিলেটের মুসলিম সাহিত্য সংসদের উন্মুক্ত চত্বরে কবিতা পাঠের মাধ্যমে প্রথম জনসমক্ষে আত্মপ্রকাশ।মদন মোহন কলেজে পড়াকালিন তার সম্পাদনায় ‘স্পন্দন’ নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা বের হয়। আর সেই ম্যাগাজিনে তার প্রথম লেখা বের হয়।সেটি ছিল একটি কবিতা। এরপর কলেজ ম্যাগাজিনে তার লেখা কবিতা ও গল্প প্রকাশিত হতে থাকে। চাকরীসূত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মকালীন সময়ে তার কবিতা ও গান বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে।পরবর্তীতে স্থানীয়, জাতীয় ও অনলাইন পত্র-পত্রিকায় তার লেখা প্রকাশিত হয়।

 

ছা্ত্রজীবনে ১৯৮১সালে তৎকালীন ক্রীড়া ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কর্তৃক একুশে ফেব্রুয়ারী উপলক্ষে দেশব্যাপী আয়োজিত সাহিত্য প্রতিযোগীতায় বাংলাদেশ পরিষদ সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত হন। এছাড়া আন্তর্জাতিক লেখক দিবস উদযাপন পরিষদ কর্তৃক লেখক সম্মাননা পদক ২০০৮প্রাপ্ত হন। সম্প্রতি তার জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ ‘তবুও বৃষ্টি আসুক’ এই অনন্য কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি নজরুল স্বর্ণপদক প্রাপ্ত হন।(মোবাইল ফোনে google play store –এর সার্চবক্সে Tobuo Bristi Asuk / ‘তবুও বৃষ্টি আসুক’ লিখে search দিয়ে বইটি ডাউনলোড করা যাবে)। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে সাহিত্য ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের জন্য বিভিন্ন পদকে ভূষিত হন।

 

আপাতদৃষ্টিতে তাকে অনেকে প্রেম ও বিরহের কবি হিসেবে আখ্যায়িত করলে ও তিনি যে একজন সমাজ-সচেতন কবি তা তার দহন কালের কাব্য ও প্রত্যয়ী যাত্রা কাব্যগ্রন্থ পাঠে সুস্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়। সমাজের বিভিন্ন অসংগতি ও বৈষম্য যে তাকে সংক্ষুব্ধ করেছে, অনায়াসে তা উপলব্ধি করা যায়।

 

কবি শফিকুল ইসলামের হাতে প্রকৃতির সকল বৈচিত্র সমাহৃত হয়ে কবির হাতে নূতন রূপে রূপায়িত হয়ে উঠেছে। তুণাঙ্কুর, ধুলিকণা, শিশিরকণাটি পর্যন্ত নব নব শ্রী ও সম্পদ লাভ করেছে। কবি পাঠকের মনেও সৃজনী-মাধুরীর প্রত্যাশা করে তার সৃষ্টিকে ব্যঞ্জনাময়ী করেছেন- ছবির আদ্‌রা একে কবি পাঠককে দিয়েছেন তার নিজের মনের রং দিয়ে ভরার জন্য। কবি কবিতাকে নব নব রূপ দান করেছেন। তিনি নিজের সৃষ্টিকে নিজেই অতিক্রম করে নূতন রূপসৃষ্টি করেছেন। কবি নব নব ছন্দ আবিস্কার করেছেন। তাঁহার বাগ-বৈভবে ও প্রকাশ ভঙ্গিমায় কবি মানসের যে একটি অভিনব রূপ তিনি প্রকাশ করেছেন তাহা বিস্ময়কর।

 

তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থসমূহঃ একুশে বইমেলায় বিভিন্ন সময়ে তার কাব্যগ্রস্থ প্রকাশিত হয়।এই ঘর এই লোকালয়(২০০০) প্রকাশিত হয় প্রবর্তন প্রকাশন থেকে । একটি আকাশ ও অনেক বৃষ্টি(২০০৪) প্রকাশিত হয় আমীর প্রকাশন থেকে। তবু ও বৃষ্টি আসুক(২০০৭) ও শ্রাবণ দিনের কাব্য (২০১০) প্রকাশিত হয় আগামী প্রকাশনী থেকে । দহন কালের কাব্য(২০১১) ও প্রত্যয়ী যাত্রা(২০১২) প্রকাশিত হয় মিজান পাবলিশার্স থেকে।

 

গীতি সংকলনঃ মেঘ ভাঙ্গা রোদ্দুর(২০০৮) প্রকাশিত হয় আগামী প্রকাশনী থেকে। এছাড়া রয়েছে আড়াই হাজারের অধিক গান নিয়ে ‘শফিকুল ইসলামের শ্রেষ্ঠ গীতিকবিতা’ নামের পাচ খণ্ড বিশিষ্ট গ্র্ন্থ। দেশে-বিদেশে বিভিন্ন লেখক, সাহিত্যিক. অধ্যাপক, আমলা, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক তার রচিত সাহিত্যকর্মের উপর আলোচনা ও গবেষণা করেছেন।তার লেখা গ্রন্থগুলো বিদেশী ভাষায় অনুদিত ও হয়েছে।

 

সকল স্রষ্টার সৃজনীপ্রতিভা যে ভাবে ক্রমবিকাশ লাভ করে কবি শফিকুল ইসলাম প্রতিভার বিকাশও সেই ভাবেই হয়েছে। প্রথম যৌবনে অন্তর্গূঢ় প্রতিভার বিকাশ-বেদনা তাঁহাকে আকুল করেছে– তখন কুঁড়ির ভিতর কেঁদেছে গন্ধ আকুল হয়ে, তখন ‘কস্তুরীমৃগসম’ কবি আপন গন্ধে পাগল হয়ে বনে বনে ফিরেছেন। প্রথম জীবনের রচনায় এই আকুলতার বাণী, আশার বাণী, উৎকন্ঠা, উচ্চাকাঙ্খা, সংকল্প, ক্ষণিক নৈরাশ্যে আত্মসাধনা, মহাসাগরের ডাক, বাধা বিঘ্নের সহিত সংগ্রাম ইত্যাদির কথা আছে।

 

বাস্তবিক কবি শফিকুল ইসলামের সমস্ত রচনার মধ্যে এই সীমাকে উত্তীর্ণ হয়ে অগ্রসর হয়ে চলার একটি আগ্রহ ও ব্যগ্র তাগাদা স্পষ্টই অনুভব করা যায়। যাহা লব্ধ তাতে সন্তুষ্ট থেকে তৃপ্তি নাই, অনায়ত্তকে আয়ত্ত করতে হবে, অজ্ঞাতকে জানতে হবে, অদৃষ্টকে দেখতে হবে- ইহাই কবি শফিকুল ইসলামের কথা।

 

সাধারণ কবিদের মত তিনি ভাববিলাসিতায় ভেসে যাননি। ভাবের গড্ডালিকা প্রবাহে নিজেকে অবলুপ্ত করে দেননি। প্রকৃত কবির মত তার কবিতায় কাব্যিক মেসেজ অনায়াসে উপলব্ধি করা যায়। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন জাগতে পারে কি সে মেসেজ? তার কাব্যসৃষ্টিতে সাম্য, মৈত্রী ও মানবতার নিগূঢ় দর্শন অন্তঃসলিলা ফল্গুধারার মত প্রবহমান। তার ‘তবুও বৃষ্টি আসুক’ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতায় কবি বলেছেনঃ-

 

“তারও আগে বৃষ্টি নামুক আমাদের বিবেকের মরুভূমিতে,
সেখানে মানবতা ফুল হয়ে ফুটুক-
আর পরিশুদ্ধ হোক ধরা, হৃদয়ের গ্লানি…”
(কবিতাঃ ‘তবুও বৃষ্টি আসুক’)

 

পংক্তিগুলো পাঠ করে নিজের অজান্তে আমি চমকে উঠি। এতো মানবতাহীন এই হিংস্র পৃথিবীতে বিশ্ব মানবের অব্যক্ত আকাংখা যা কবির লেখনীতে প্রোজ্জ্বলভাবে প্রতিভাত হয়েছে। এতো শুধু কবির কথা নয়, এতো একজন মহামানবের উদ্দীপ্ত আহ্বান। তার কবিতা পাঠে আমি অন্তরের অন্তঃস্থলে যেন একজন মহামানবের পদধ্বনি শুনতে পাই। যিনি যুগ মানবের অন্তরের অপ্রকাশিত আকাংখা উপলব্ধি করতে পারেন অনায়াসে আপন অন্তরের দর্পণে। তাই তিনি বিশ্ব মানবের কবি। বিশ্বমানবতার কবি।

 

 

কবি শফিকুল ইসলামের “তবুও বৃষ্টি আসুক” একটি কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ

–পরিমল ভৌমিক, শিক্ষক, রম্য লেখক।

কবি শফিকুল ইসলাম

একদিন হঠাৎ করে আমার ছাত্রের পড়ার টেবিলের এক পাশে সংরক্ষিত একটি বই এর দিকে হঠাৎ আমার দৃষ্টি চলে গেল। বইটির কভার পৃষ্ঠায় লিখা রয়েছে “তবুও বৃষ্টি আসুক”/শফিকুল ইসলাম। বইটি হাতে নিলাম। কয়েকটা কবিতা পাঠ করলাম, আমার লিখার উপকরণ পেয়ে গেলাম। আমার মন ছিল কবিতার দিকে। কবিকে নিয়ে অর্থাৎ কবির পরিচয় জানার কৌতুহল আমার মনে ঘুণাক্ষরে ও জাগেনি।

 

কয়েকটি কবিতা আমি বারবার পড়তে লাগলাম। আমার মন থেকে কে যেন বলে উঠল এগুলো কালোত্তীর্ণ হওয়ার যোগ্যতা রাখে। আমি আমার লেখার মধ্যে কবিতাগুলোর সম্মানজনক স্থান করে নিলাম । “শক্তিরূপিনী নারী” প্রবন্ধে আমি কবি শফিকুল ইসলামের যে কবিতাগুলো তুলে ধরে ছিলাম, সেগুলো নিম্নে চয়ন করা হলো। কবিতার নাম “মায়ের কথা মনে হলেই”।

 

“মায়ের কথা মনে হলেই
ছায়া শীতল শাখা প্রশাখা বিস্তৃত
একটি ছায়া বৃক্ষের কথা মনে পড়ে,
মায়ের কথা মনে হলেই
আমার মায়াবী জোছনার কথা মনে পড়ে,
যার আছে আধার নিবারক হিমেল আলো
অথচ উত্তাপ নেই।
……………………
আমার চলার পথে নিরন্তর
আমায় ক্লান্তিহীন প্রেরণা যোগায়-
আমি একটু একটু করে এগিয়ে চলি
আরো এগিয়ে চলি,
এক সময় গন্তব্যে পৌঁছে যাই।”
(মায়ের কথা মনে হলেই)

 

কবি শফিকুল ইসলামের অন্য কবিতা হল “এই গান এই সুর”।

 

“এই গান এই সুর
এই ফুল এই পাখি
নদী আর নিসর্গ
সবই সুন্দর– শুধু তুমি আছ বলে।
এই দুঃখ এই হতাশা
এই বঞ্চনা, এই মৃত্যু
আজ ও সুমধুর–তুমি ভালবাসো বলে।”
(এই গান, এই সুর)

 

আমার দৃষ্টিতে কবি তার কবিতাগুলোর মধ্যে প্রাণ সঞ্চার করতে পেরেছেন । এ কাজটি সম্পন্ন করতে হলে লেখকের উপর স্রষ্টার কৃপা থাকতে হয়। যে লেখকের উপর স্রষ্টার কৃপা বর্ষিত হয় তিনিই লেখাতে প্রাণ সঞ্চার করতে পারেন। আর ঐ ধরণের লেখকের লেখাই পাঠক তৃপ্তি সহকারে পাঠ করে নিজেকে ধন্য মনে করে থাকেন।

 

প্রসঙ্গঃ কবি শফিকুল ইসলামের “তবুও বৃষ্টি আসুক” কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ করেছে আগামী প্রকাশনী, ঢাকা। প্রচ্ছদ এঁকেছে, ধ্রুব এষ। প্রথম প্রকাশ, ফাল্গুন ১৪১৩ ফেবুয়ারী ২০০৭ । বইটিতে মোট ৪১টি কবিতা রয়েছে। উৎসর্গে কবি লিখেছেন-

 

সুলতা,
তোমার অনিঃশেষ স্মৃতির উদ্দেশ্যে
নিবেদিত-
যে দিন আমি থাকবনা
সেদিন ও আমার কবিতার পংক্তিমালা
তোমার জন্য প্রতীক্ষার প্রহর গুণবে
অনন্তকাল ধরে।”

 

আমার কথাঃ “শক্তিরূপিনী নারী” প্রবন্ধে যখন আমি কবি শফিকুল ইসলামের দুটো কবিতা তুলে ধরি তখন কবির সাথে আমার পরিচয় ছিল না। একজন লেখকের দৃষ্টিকোণ থেকে আমি কবিতাগুলো পাঠ করেছি এবং মুগ্ধ হয়েছি। আমার মনে হয়েছে “তবুও বৃষ্টি আসুক” কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো কালোত্তীর্ণ হওয়ার যোগ্যতা রাখে, বিশেষ করেঃ

 

তবুও বৃষ্টি আসুক
বাবা, একদিন তোমার যে খোকাটি
বাবা কেমন করে তুমি চলে গেলে
একজন বীর মুক্তি যোদ্ধা
মনে পড়ে মা
মায়ের কথা মনে হলেই
এই গান, এই সুর

 

বাকী কবিতাগুলো বেশীর ভাগই প্রেমধর্মী। প্রেমের স্রোতধারা অনন্ত। বলা চলে-“স্বর্গ থেকে আসে প্রেম, স্বর্গে চলে যায়”। প্রেমের বিরহই লেখাগুলোর উপজীব্য বিষয় । এক্ষেত্রে রাধা কৃষ্ণের প্রেম পাঠকের হৃদয়ে জাগ্রত হয়। সঠিক বিবেচনায় বলা চলে কবি শফিকুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ “তবুও বৃষ্টি আসুক” কালোত্তীর্ণ হওয়ার যোগ্যতা রাখে।

 

 

প্রাপ্তিস্থানঃ আগামী প্রকাশনী, ৩৬ বাংলাবাজার, ঢাকা–১১০০। ফোন– ৯৫৯১১৮৫, ৭১১০০২১। মোবাইল– ০১৮১৯২১৯০২৪] এছাড়া- www.rokomari.com www.smashwords.com, kaljoyee.com, ডিজিটাললাইব্রেরি.বাংলা, www.grontho.com, sheiboi.com, www.chorui.com, bengaleboi.com এবং www.noboboi.com, www.eakash.com সহ বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে এবং banglapdf.net, www.boighar.com, kazirhut.com, www.boilovers.com www.boierdunia.in সহ বিভিন্ন ফোরাম থেকে তার রচিত বইসমূহ ডাউনলোড করা যায়।এছাড়া গুগোল প্লে-ষ্টোরে রয়েছে তার রচিত বইয়ের বিশাল ভাণ্ডার, যা তাৎক্ষণিকভাবে ডাউলোড করে পাঠ করা যায়। ফেসবুক গ্রুপ এবং ইউটিউবেও রয়েছে তার রচিত কবিতা আবৃত্তি ও গানের অসংখ্য ভিডিও। বর্তমানে www.rokomari.com থেকে অনলাইনে(Help: 16297 অথবা 01519521971 ফোন নাম্বারে) সরাসরি তার সকল বই সংগ্রহ করা যায়।

Share Button

২২ responses to “কিংবদন্তী কবি স্যার শফিকুল ইসলামের জীবন ও সাহিত্যকর্ম”

  1. 188bet 512 says:

    … [Trackback]

    […] Find More Information here to that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  2. … [Trackback]

    […] Find More to that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  3. … [Trackback]

    […] Read More Info here to that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  4. Stiiizy pods says:

    … [Trackback]

    […] Info on that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  5. … [Trackback]

    […] Find More here on that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  6. … [Trackback]

    […] Info to that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  7. … [Trackback]

    […] Here you will find 68122 additional Info on that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  8. … [Trackback]

    […] Find More on to that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  9. Glock 19 says:

    … [Trackback]

    […] Read More on to that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  10. … [Trackback]

    […] Find More on that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  11. gclub says:

    … [Trackback]

    […] Read More on to that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  12. sbobet says:

    … [Trackback]

    […] Information to that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  13. TS2 SPACE says:

    … [Trackback]

    […] There you can find 9540 additional Information on that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  14. … [Trackback]

    […] Read More on to that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  15. … [Trackback]

    […] Read More Info here on that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  16. … [Trackback]

    […] Find More here on that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  17. … [Trackback]

    […] Info to that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  18. … [Trackback]

    […] Here you will find 5898 more Info on that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  19. fun88.com says:

    … [Trackback]

    […] Info to that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  20. … [Trackback]

    […] Read More on that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

  21. … [Trackback]

    […] Read More on that Topic: expresstimes24.com/?p=6076 […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ আপডেট

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. এম. শরীফুল আলম তুহিন
ইমেইল : expresstimes24@gmail.com
মোবাইল: ০১৭১২ ৭৪৭ ১৩৯ # ০১৯১৯ ৭৪৭ ১৩৯